নববধূ রিতা সন্ধ্যায় ছাদে হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার শাশুড়ি বলেন, বউমাকে ভূতে ধরেছে। শিগগির কবিরাজের কাছে নিতে হবে। মায়ের এমন কথা মানতে না পেরে ছেলে সাজু বলে, 'মা, তোমার ধারণা ভুল। রিতাকে ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।'
উদ্দীপকের সাজু 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে।
সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত ও ব্যাখ্যা দিতে পারা আমাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। না হলে আমাদের জীবনে দেখা যায় অনেক সমস্যা ও বিপত্তি।
উদ্দীপকে সাজু তার স্ত্রীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভ্রান্ত ধারণার শিকার না হয়ে সরাসরি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে চেয়েছে। 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পে পরাশর ডাক্তার নগেনের ইলেকট্রিক শক খাওয়ার ঘটনায় ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেননি। বরং পর্যবেক্ষণ করে সঠিক তথ্য ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
উদ্দীপকে সাজু তার স্ত্রীর অসুস্থতা নিয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পে পরাশর ডাক্তার নগেনের বিষয়ে যৌক্তিক মন্তব্য করেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সাজু 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের শিক্ষণীয় দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?